মঙ্গলবার

১০ মার্চ, ২০২৬ ২৬ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বশেষ
জামিনের জন্য এক কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্তের ঘোষণা ভিজিএফের চাল বণ্টন ও প্যানেল চেয়ারম্যান বিরোধে গাংনীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭ ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ে না দেয়ায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা সৈয়দপুরে ব্যাংক জালিয়াতি, ৪৩ কোটি টাকা নিয়ে পালালেন কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গায় বড় ভাইয়ের পর মারা গেলেন বিএনপির সাথে সংঘর্ষে আহত জামায়াতের ইউনিয়ন আমির ধাপে ধাপে সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল ১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যমের জল্পনা

১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১০

শেয়ার

১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি সংগৃহীত

গত ১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

সেন্টকোমের বিবৃতিতে বলা হয়, ধ্বংস হওয়া লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ৫০টিরও বেশি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান রয়েছে। এছাড়া আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম), ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির কারখানা, সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন কমান্ডকেন্দ্রও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়।

এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে।

যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। এতে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো এবং কয়েকটি তেল সংরক্ষণাগার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব ঘাঁটি সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত।

সূত্র: এএফপি



banner close
banner close