মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের দূতাবাসের নন-ইমার্জেন্সি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নির্দেশনা দিয়েছে United States Department of State।
গতকাল জারি করা এক নোটিশে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে Iran থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে সৌদি আরবে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে যারা সৌদি আরব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের ভ্রমণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কা, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাসবাদ, দেশত্যাগে বিধিনিষেধ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত বিধিনিষেধের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে ইরান ও United States-এর মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।
সংলাপ শেষ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি নামে সামরিক অভিযান শুরু করে United States। একই সময়ে ইজরায়েল অপারেশন রোয়ারিং লায়ন নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে।
এর জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, দূতাবাস এবং তেল স্থাপনায় একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: বিবিসি নিউজ।
আরও পড়ুন:








