ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। রোববার এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানায়, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অভিজাত শাখা কুদস বাহিনীর ব্যবহৃত ছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার রাতে তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অভিযান চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। ওই অভিযানে বিমানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
তবে এ বিষয়ে ইরান সরকার বা আইআরজিসির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
কুদস বাহিনী আইআরজিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। নিয়মিত সামরিক দায়িত্বের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী—যেমন হিজবুল্লাহ ও হামাস—এর কাছে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহে এই বাহিনীর ভূমিকা রয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরটিও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, এই বিমানবন্দর কুদস বাহিনীর লজিস্টিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয় এবং এখান থেকেই বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্র ও সরঞ্জাম পাঠানো হয়।
এর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে। তবে ওই আলোচনা কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে।
যুদ্ধের গত আট দিনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনীর কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার দাবি করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল ইরানের বিমান ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
সূত্র: এএফপি
আরও পড়ুন:








