দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ-সহিংসতা দমনে একের পর এক কঠোর অবস্থানে ইরান সরকার। ইন্টারনেট বন্ধের কারণে বিশ্ব থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন দেশটি। তার ওপর, নামানো হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল সদস্য। ব্যবহৃত হচ্ছে প্রাণঘাতী অস্ত্র। অভিযোগ রয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টাতেই কমপক্ষে দুই হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে দেয়া পোস্টে, আবারও বিক্ষোভকারীদের সহায়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর প্রাথমিক আলোচনা করেছেন তিনি। খবর, নিউইয়র্ক টাইমসের।
পশ্চিম এশিয়ার দেশটির বিভিন্ন জায়গার চিত্রটা অনেকটা এরকম— দেদারসে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পর আরও কঠোর অবস্থানে সরকার। আইআরজিসি সদস্যসহ দেশজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল সদস্য।
প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই অবশ্য আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন বিক্ষোভকারীরা। তেহরানসহ সব শহরেই শনিবার রাতে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। এসময়, রাজতন্ত্রের পক্ষে স্লোগান দেন তারা। এ পরিস্থিতিতে যেকোনো মুল্যে ইরানের স্বার্বভৌমত্ব, অবকাঠামো এবং জনসাধারণের সম্পত্তি রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে সেনাবাহিনী।
অবশ্য, শনিবার পাল্টা বিক্ষোভ করেছে সরকারপন্থীরাও। আন্দোলনের নামে ইরানকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ তাদের। দেয়া হয় যেকোনো মুল্যে সহিসংতা প্রতিহত করার ঘোষণাও।
এদিকে, ইরানে চলমান অস্থিরতা নিয়ে বেশ সরব যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর, বিক্ষোভ ইস্যুতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে ফোনালাপ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সামাজিক মাধ্যমে দেয়া পোস্টে ইরানি বিক্ষোভকারীদের সহায়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার জেরে ইরানে বিমান পরিষেবা রেখেছে টার্কিশ, কাতার ও অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইন্সসহ বেশকয়েটি বিমান পরিবহন সংস্থা।
আরও পড়ুন:








