রবিবার

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৫ মাঘ, ১৪৩২

ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর অনুমতি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১০:০৯

শেয়ার

ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর অনুমতি দিলেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের প্রায় নয় মাস পর প্রথমবোরের মতো ইউক্রেনে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি ইতোমধ্যে ইউক্রেনে অস্ত্রের চালান পাঠানো সংক্রান্ত অনুমোদনপত্রে স্বাক্ষরও করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউজ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিগগিরই ইউক্রেনে দু’টি অস্ত্রের চালান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রত্যেক চালানে থাকবে ৫০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র ও গোলাবারুদ থাকবে।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের মতো সহায়তা হিসেবে এই অস্ত্র দিচ্ছে না। কিয়েভের ইউরোপীয় মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এই অস্ত্র কিনে ইউক্রেনে পাঠাচ্ছে। চালান পাঠানোর খরচও প্রদান করবে তারা।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায়োরিটাইজড ইউক্রেন রিকোয়্যার লিস্ট (পার্ল) নামের একটি নতুন সমঝোতার আওতায় ইউক্রেনে মোট এক হাজার কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার প্রথম চালান যাচ্ছে ইউক্রেন।

প্রসঙ্গত, ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ওয়াশিংটন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধাবসানকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ইউক্রেনকে আর সামরিক সহায়তার অনুমোদন দেয়া হবে না। গত নয় মাস সেই কথা রাখার চেষ্টা তিনি। ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি যুদ্ধাবসানের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও করেছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের গত নয় মাসের তৎপরতায় যুদ্ধাবসান ইস্যুতে দৃশ্যমান বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

কিয়েভে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত দু’টি চালানে কী কী অস্ত্র আছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে বাইডেন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চালানে অন্যান্য অস্ত্রের সঙ্গে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে। রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে এই সিস্টেম পাঠানো হচ্ছে কিয়েভে।



banner close
banner close