নেপালে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার মুখে পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের আহ্বানে তিনি পদত্যাগ করেন বলে তার সহকারী প্রকাশ সিলওয়াল নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, পদত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রী অলি সেনাপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ক্রমাবনত পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব কামনা করেন তিনি। এর জবাবে জেনারেল সিগদেল বলেন, সেনাবাহিনী কেবল তখনই হস্তক্ষেপ করবে যদি প্রধানমন্ত্রী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এরপরই পদত্যাগপত্র জমা দেন অলি।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবন ‘বলওয়াটার’ থেকে নিরাপদে বের হওয়ার জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা চান এবং দেশত্যাগের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। চিকিৎসার অজুহাতে দুবাই যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘হিমালয়া এয়ারলাইনস’কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সরকারের মন্ত্রীদের সরাতে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্তত পাঁচটি হেলিকপ্টারে করে মন্ত্রীদের বাসভবন থেকে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে সেনা সূত্র জানিয়েছে। কাঠমান্ডু, ললিতপুর ও ভক্তপুরে জারি রয়েছে কারফিউ।
এদিকে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে কাঠমান্ডুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভকারীরা সমর্থকদের আহ্বান জানাচ্ছেন বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে। আতশবাজি ফোটানো, ড্রোন ওড়ানো এবং বিমানের দিকে লেজার লাইট ছোড়ার মতো পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








