সোমবার

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৭ মাঘ, ১৪৩২

গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হামাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫৬

শেয়ার

গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হামাস
ছবি: সংগৃহীত

গাজার তুফ্ফাহ এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় ইয়াফা স্কুল ও সেখানে আশ্রয় নেয়া পরিবারের তাঁবুগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে ছড়িয়ে আছে বালু ও মাটি। এক রাতেই স্কুলটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।

এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে তারা ইতিবাচক জবাব দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানায়, কাতার ও মিশরের মাধ্যমে এই প্রস্তাবের বিষয়ে তারা তাদের অবস্থান জানিয়েছে।

হামাস জানায়, তারা নিজেদের মধ্যে এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেছে। যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের ভিত্তিতে তারা অবিলম্বে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, ‘ইসরাইল এতে সম্মত হয়েছে এবং এই সময়ের মধ্যে স্থায়ী শান্তির চেষ্টা করা হবে।’

তবে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও ইসরাইলি হামলা বন্ধ হয়নি। শুক্রবার গাজা সিটির আল-সাবরা গার্লস স্কুল ও আল-হুররিয়া স্কুলে ড্রোন হামলায় বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। খান ইউনিস, জাবালিয়া এবং রাফা এলাকাতেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। রাফার আইসিআরসি হাসপাতালের একজন স্বাস্থ্যকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরাইল গাজার ৮৫ শতাংশ এলাকাকে সামরিক অঞ্চল ঘোষণা করেছে। শুধু মার্চ মাসের পর থেকে নতুন করে ৭ লাখ ১৪ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছেন। গত চার মাস ধরে সেখানে কোনো জ্বালানি ঢোকেনি, ফলে হাসপাতালগুলো প্রায় অচল হয়ে গেছে। নাসের হাসপাতাল এখন পুরোপুরি একটি ট্রমা সেন্টারে পরিণত হয়েছে।

জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে, ত্রাণ কেন্দ্র ও ত্রাণবহরের কাছাকাছি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬১৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই শিশু ও তরুণ।

এদিকে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে ইসরাইল আবারও লেবাননে হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় গোলাবর্ষণে ঘরবাড়ি, কারখানা ও সরকারি যানবাহন ধ্বংস হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, নাবাতিয়েহ প্রদেশে একটি বাড়ি, মেইস এল জাবাল শহরে একটি সরকারি বুলডোজার এবং মারজাইউন শহরের একটি কাপড়ের কারখানায় ইসরাইলি গোলাবর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন।



banner close
banner close