নির্বাচনে জিততে আত্মবিশ্বাসী মার্কিন নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতোমধ্যেই বেশকিছু অঙ্গরাজ্যে ভোটদান শুরু হয়ে গেছে। এছাড়াও মঙ্গলবারের আগেই প্রায় আট কোটি ১০ লাখ মার্কিন নাগরিক আগাম ভোট দিয়েছেন, যা ২০২০ নির্বাচনের মোট ভোটের অর্ধেকেরও বেশি।
মঙ্গলবার ভোট দিয়ে দেশের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট বেছে নেবেন মার্কিন নাগরিকেরা। বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় (মার্কিন সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা) ভোটগ্রহণ শেষ হবে।
তবে এবার চূড়ান্ত ফলাফল আসতে দেরি হতে পারে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা।
মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প দুজনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন জরিপে। জাতীয় ও দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতে দুজনের যে তীব্র প্রতিযোগিতার আভাস দেয়া হয়েছে তাতে জয়ের ব্যবধান হতে পারে খুব অল্প ভোটে। অনেক ক্ষেত্রে ভোট পুনর্গণনার দাবি উঠতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনের ফল অনেকটা ধীরগতিতে আসতে পারে। কারণ, অনেক অঙ্গরাজ্যে ভোট গণনার নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। অন্যদিকে এবার মিশিগানের মতো অঙ্গরাজ্যে গণনা দ্রুত হবে। কারণ, সেখানে ডাকযোগে আসা ভোট কমেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত বা সকালে ফল পাওয়া যাবে।
এর আগে ২০২০ সালে ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোট হয়েছিল। কিন্তু ইউএস টিভি নেটওয়ার্ক ৭ নভেম্বর সকালের আগে জো বাইডেনকে জয়ী ঘোষণা করেনি।
তাই বলাই যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা ভোট শেষ করে রাতে যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নেবেন, তখন ট্রাম্পে ও কমলার সমর্থকেরা বিজয়ী হওয়ার উল্লাস করতেই পারেন। আগাম ফল ঘোষণা করা হলে তারা সে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।
এদিকে দুই প্রার্থীই এবারের নির্বাচনে ২৭০ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রে কাছাকাছি রয়েছেন। অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফল পাওয়া যায়, কিন্তু পেনসিলভেনিয়া ও নেভাদার মতো অঙ্গরাজ্যে ফল পেতে আরও দেরি হতে পারে।
পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে ইলেকটোরাল ভোট ১৯টি। সোমবার পর্যন্ত এই অঙ্গরাজ্যের ফল ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে হেলে পড়তে পারে বলে আলোচনা চলছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের একেক অঙ্গরাজ্যের গণনা পদ্ধতি একেক রকম। অনেক অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে আসা ভোট এবং দেশের বাইরের নাগরিকদের ভোট নির্বাচনের আগেই গুণে ফেলেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। তবে পেনসিলভেনিয়া ও উইসকনসিনে নির্বাচনের পর গুণা হয় এসব ব্যালট। এই গুরুত্বপূর্ণ দুই দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যের জন্যই ফলাফলে দেরি হতে পারে।
এছাড়া, কোনো অঙ্গরাজ্যে দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান কম থাকলে ভোট পুনর্গণনাও হতে পারে।
আরও পড়ুন:








