সোমবার

১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

পলাতক হাসিনার ফাঁসির রায়; ভারতীয় ষড়যন্ত্র চলমান থাকবে বহুকাল

মেশকাত সাদিক

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৩৩

শেয়ার

পলাতক হাসিনার ফাঁসির রায়; ভারতীয় ষড়যন্ত্র চলমান থাকবে বহুকাল

১৭ ই নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এই দিনে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যার নির্দেশদাতা হিশেবে বাংলাদেশের স্থপতি বলে পরিচিত শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ফ্যাসিস্ট হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় হলো । সাথে সাথে স্বৈরাচারী আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও সমদন্ডে দণ্ডিত করলেন মহামান্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় হচ্ছে, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি রাজ সাক্ষী হয়ে, স্বেচ্ছায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার বিষয়গুলি সত্যতার সাথে স্বীকার করেছেন। এবং এই হত্যাকান্ডের সাথে কারা কারা জড়িত সেইসব অকাট্য তথ্য প্রদানের কারণে মহামান্য আদালত সুবিবেচনায় তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডে দন্ডিত করেন। এই রায়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ফ্যাসিস্ট পলাতক হাসিনা ও তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যত সম্পত্তি রয়েছে, সেগুলি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাবে এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ শহীদ পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিলি-বন্টন করা হবে।

এই রায়ের জাতীয় আন্তর্জাতিক গুরুত্ব:

কতকগুলি কারণে এই রায় পৃথিবীর ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রথমত: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এটি গঠন করা হয় পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে। এই ট্রাইবুনাল নিয়ে তখন অনেক সমালোচনা হয়েছে। মূলত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর তত্ত্বাবধানে এই ট্রাইবুনাল পরিচালিত হতো। যে কারণে সেই আমলে ট্রাইবুনাল চত্বর থেকে সাক্ষীদের গায়েব করে ভারতে পাচার পর্যন্ত করা হয়। সেই ট্রাইবুনাল মূলত এজেন্ডাভিত্তিক ট্রাইব্যুনালে পরিণত হয়েছিল। কথিত যুদ্ধ অপরাধ মামলায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার করা হয়। এ কথাটি এজন্য বলা যে, সেদিন যদি সুখ রঞ্জন বালীকে আদালত চত্বর থেকে গুম করা না হতো, সাক্ষীদেরকে যদি যথাযথভাবে আদালতে আসার সুযোগ দেওয়া হতো, ট্রাইব্যুনাল যদি নিরপেক্ষভাবে তাদের বিচারকার্য পরিচালনা করতো, তাহলে এমন বিতর্কিত বিচার সম্পাদন বাংলাদেশের ইতিহাসে সম্ভব হতো না। কিন্তু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার 'র'-এর টার্গেট ছিল ভিন্ন। তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল, ওই রায়ের মধ্য দিয়ে জনগণের ভেতরে পুঞ্জিভূত ক্ষোভের সঞ্চার করা। এবং বিদ্রোহাত্মক ও সংঘাতমূলক মানসিকতা সৃষ্টি করা। এমন দ্রোহ ও ক্ষোভ জন্মালে জনগণ রাজপথে নেমে আসবে। তখন 'র'-এর অনুগত বাহিনী দিয়ে দেশপ্রেমিক শক্তিকে হত্যা করা হবে। একটা পর্যায়ে এমন হবে যে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও জনগণ মুখোমুখি দাঁড়াবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো একীভূত হয়ে সাধারণ জনগণকে হত্যা করবে। গ্রামে গ্রামে, পাড়ায় পাড়ায়, শহরে বন্দরে, হাটে মাঠে গঞ্জে, শুরু হবে গৃহযুদ্ধ। এবং গৃহযুদ্ধ হলে ভারতের ব্যাপক মাত্রায় লাভ। তারা এখন ফেনসিডিল ব্যবসা করে। আর গৃহযুদ্ধ হলে তারা অস্ত্র ব্যবসা করতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক জনগণ এই ধরনের ফাঁদে পা দেয়নি। বাংলাদেশের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বিএনপি। সৎ রাষ্ট্রনায়কের সন্তান হিসেবে তারেক রহমানও জনগণের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। সেই তারেক রহমানকে মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া ও পঙ্গু করে দেওয়ার চূড়ান্ত ষড়যন্ত্র 'র'-এর মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়। বেগম খালেদা জিয়াকে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপরাধে বছরের বছর জেলখানায় বন্দি রাখা হয়েছে। কারাগারে তাকে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে। চিকিৎসার ন্যূনতম সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমন নিপীড়ন ও নির্যাতন করে বস্তুত ভারত ও গোয়েন্দা সংস্থার 'র' বাংলাদেশকে গৃহযুদ্ধের মুখে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করেছে। কিন্তু কোন কিছুতেই লাভ হয়নি। দিনশেষে দেশপ্রেমিক জনগণ এবং দেশপ্রেমিক বিএনপি-জামায়াত ভারত ও তাদের এদেশীয় দোসরদের পাতা ফাঁদে পা দেয় নি। সেদিনের সেই বিচারগুলি ছিল অবিচার। সেদিনের শাসন ছিল দুঃশাসন। সেদিনের অশ্রু ছিল কুম্ভাশ্রু। আর তাদের হামলার প্রকৃতি ছিল হায়েনার মতন নৃশংস ও নির্মম। দেশে-বিদেশে চরমভাবে বিতর্কিত সেই সাক্ষ্য প্রমাণহীন ক্যাঙ্গারু কোর্টে একে একে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেওয়া হয়।

সেই রায়-এই রায়

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে বাংলাদেশের মানুষের আধ্যাত্মিক নেতা সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার বিশ্ব নন্দিত আলেম আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায় হয়। সেই রায়ের দিন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি চূড়ান্ত কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। এর ভেতরেও হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে আসে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল এবং স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলে। সেই রায়ের পর সারা বাংলাদেশে সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল সেদিন। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং সাক্ষ্য প্রমাণহীন মিথ্যা ও অপবাদমূলক বিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নির্বিচারে গুলি করে। এবং আল্লামা সাঈদীর পক্ষে মিছিল করার অপরাধে ১৮০ জনের কাছাকাছি ঈমানদার মুসলমানকে শহীদ করে দেওয়া হয়। এই সংগ্রামে শুধু জামাত-শিবির ছিল না। সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিল। যেখানে সকল দলের প্রতিনিধি ছিল।

পক্ষান্তরে আজকেও একটি রায় হলো। মাননীয় অ্যাটর্নি জেনারেল এবং চিপ প্রসিকিউটর ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার পক্ষের আইনজীবী পৃথক পৃথক মন্তব্য করেছেন।মাননীয় এটর্নী জেনারেল ন্যায় বিচারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিরূপণ-পূর্বক তার বক্তব্য রেখেছেন। এটি উন্নতমানের ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। চিপ প্রসিকিউটর পৃথিবীর সমস্ত আদালতের কাছে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে-ধরনের সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থিত করা হয়েছে সেই ম্যাটেরিয়ালগুলো নিয়ে যে-কোন আদালত যদি কাজ করে তাহলে রায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেটি দেওয়া হয়েছে পৃথিবীর যেকোনো দেশের আদালত একই ধরনের রায় দেবে। একটা বিচার ব্যবস্থা কতটা স্বচ্ছ হলে এই ধরনের চ্যালেঞ্জ করা যায় তা সাধারণ জনগণ মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছেন বলেই প্রতীয়মান হয়। মনে করা হয়েছিল, এই রায় ঘোষণার সাথে সাথে বাংলাদেশে যারা আওয়ামী লীগ করে তারা রাস্তায় নেমে আসবে। যে কারণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় ছিল। সতর্ক অবস্থায় ছিল বিএনপি জামায়াত, এনসিপি-সহ দেশপ্রেমিক অন্যান্য শক্তিগুলো। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো, ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দন্ড দেওয়া সত্ত্বেও জনগণ রাস্তায় নেমে এলো না। কিছু চোরা-গুপ্তা ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ছাড়া আর কিছুই করতে পারে নাই। তাও এই কাজগুলি ছিন্নমূল ও নেশাখোর দরিদ্র মানুষ দ্বারাই সংঘটিত করা হলো। এটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক ও তার কিছু চেলা-চামুন্ডা। ধানমন্ডির ৩২ নাম্বার ভাঙতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সাথে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে আজ। এ থেকে বোঝা যায়, ইউনুস সরকার ধানমন্ডি ৩২ কে রক্ষা করেছেন। সাথে সাথে এও বোঝা যায়, বর্তমান সরকার কতটা নিরপেক্ষ হলে, আওয়ামী লীগের স্বার্থ সুরক্ষা দিয়েছেন। এমন একটি নিরপেক্ষ দিনে রায় ঘোষিত হলেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী বা কাউকেই রাস্তায় দেখা গেল না। এর থেকে বোঝা যায়, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জনধিক্কৃত একটি দল। মানুষের মনে আওয়ামী লীগের স্থান আগের মতো নেই। এর বৃহৎ কারণ হলো, বাংলাদেশের মানুষ জন্মের পর থেকেই দেখছে বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ। সীমান্ত হত্যা। বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে ভারত। লেন্দুপ দর্জির মতো সেই ভারতেই পালিয়েছে হাসিনা। তাই এদেশের জনগণ হাসিনাকে মূলত ভারতের গোলাম মনে করে। ভারতের গোলামের জন্য এদেশের দেশপ্রেমিক মানুষ কাঁদবে না। আজই তার বড় প্রমাণ হয়ে গেল। রায় ঘোষণার পর জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দিয়েছেন। জাহাঙ্গীর কবির নানক আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। যার ফলাফল আজ সন্ধ্যা থেকেই স্বাভাবিক দিনের তুলনায় আরো বেশি যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। মানুষের জীবনযাত্রা একেবারেই স্বাভাবিক। আর বিকৃত মস্তিষ্ক ওবায়দুল কাদের নানাভাবে ভারতকে উস্কানি দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে আহ্বান জানিয়েছে। এতে বুঝা যায়, এই দলটি বাংলাদেশের নয় বরং ভারতীয় স্বার্থ রক্ষা করে। হাসিনার আজকের রায়ের পর ভারত একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিটি এইরূপ:

একজন কাছের প্রতিবেশি হিসেবে, বাংলাদেশের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভূক্তি এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ভারত কাজ করবে। এ লক্ষ্য আমরা সবসময়, সব ধরনের অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে যাবো।

এই বিবৃতির সাথে বাংলাদেশের মানুষ একমত। শান্তি-শৃঙ্খলা ও গণতন্ত্র রক্ষায় শেখ হাসিনাকে খুব দ্রুতই বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা এই বিবৃতির দাবি অনুযায়ী ভারতের একান্ত দায়িত্ব। দণ্ডপ্রাপ্ত সকল আসামীকে বাংলাদেশে অনতিবিলম্বে ফেরত না দিলে ভারত বাংলাদেশের যে এক নম্বর শত্রু সেটি আরো একবার প্রমাণিত হবে।

রায় ঘোষনাই সব নয় থাকতে হবে সদা সতর্ক:

রায় ঘোষণা হয়ে গেল। হাসিনার প্রভু দেশ ভারত হাসিনাকে ফেরত দেবে না। আন্তর্জাতিক যেসমস্ত দেশ গুরুত্বপূর্ণ, তাদের সাথে ভারতের রয়েছে দীর্ঘ বাণিজ্যিক সম্পর্ক। আর এখন অর্থনৈতিক-কূটনীতির যুগ। এমন যুগে ভারত যদি বলে হাসিনাকে ফেরত দেবে না, সে-ক্ষেত্রে হয়তো ভারতের উপর পৃথিবীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শক্তিশালী রাষ্ট্র বেশি জোর করবে না। তবে ভারত বাংলাদেশের কাছে চির শত্রু হয়ে থাকবে। ভারত এই সমস্ত অপরাধীদের তার দেশে রেখে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করবে। বাংলাদেশে যেসমস্ত আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আছে, তাদের দিয়ে বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে। হঠাৎ হঠাৎ আকস্মিকভাবে চোরা-গুপ্তা হামলা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা এই সমস্ত করবে।

এই সমস্ত কাজের সাথে সাথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ যারা বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব রাখতে চায়, বাংলাদেশকে ভালোবাসে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে চায়, তাদেরকে হত্যা করাবে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' আবারও জঙ্গি কার্ড খেলতে পারে। একদলকে আরেক দলের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিয়ে মাঝখান দিয়ে 'র' ফায়দা লুটতে পারে। অতএব, দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে একই পতাকা তলে সুশৃংখলভাবে থাকা প্রয়োজন। কোনভাবে বিভাজিত হলে শত্রুপক্ষ সফল হয়ে যেতে পারে। তখন বাংলাদেশে কোন দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, সাংবাদিক, কর্মচারী থাকতে পারবে না। থাকবে শুধু ভারতীয় দাদা, কিছু সন্ত্রাসী। আর মানুষ নামের কিছু পশু। এমন দিন কখনো না আসুক, সবুজ শ্যামল বাংলায়।

লেখক: কলামিস্ট ও রাজনীতি বিশ্লেষক।



banner close
banner close