ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তনে অংশ নিতে আগ্রহী গ্র্যাজুয়েটদের অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে। আবেদন করা যাবে ৩০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ জানুয়ারি।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনপ্রক্রিয়া চারটি ধাপে সম্পন্ন হবে। আগামী ৩০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে প্রথম ধাপের আবেদন শেষ করতে হবে। আর অনলাইনে ফি পরিশোধের শেষ সময় ২ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে থাকবেন জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আতসুশি সুনামি। তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর অব ল’জ ডিগ্রি দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ট্রাস্ট ফান্ডের অন্যতম দাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশিদকে সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি দেয়া হবে। একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সমাবর্তনের প্রস্তুতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সিনেট সদস্য ও সংসদ সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন ও এ কে এম ফজলুল হক মিলনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ডিগ্রিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তরা এ সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবেন। এ ছাড়া ২০২২ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত যেসব পরীক্ষার ফলাফল ৫৩তম সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি, সেসব ফলাফলের আওতাভুক্ত গ্র্যাজুয়েটরাও এবার অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।
সমাবর্তন আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে একটি নির্বাহী কমিটি, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও একাধিক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সমাবর্তন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে উপকমিটিগুলোকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বাড়াতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য।
আরও পড়ুন:







