রবিবার

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১০ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড; তবে বাকী নির্যাতিতরা কেন বিচার পায় না? মেয়র থেকে শাহাদাত হোসেনকে এবার চট্টগ্রাম সিটির পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক দীর্ঘ ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কমনওয়েলথ বৈঠকে যোগ দেবেন হুমায়ুন কবির বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘অর্ণব’ চট্টগ্রামের শাহ আমানত থেকে ৪৯টি স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার; মূল্য প্রায় দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা ছেলেকে চাকরি দিয়ে দুদকের আসামি হলেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য

ছেলেকে চাকরি দিয়ে দুদকের আসামি হলেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৭

শেয়ার

ছেলেকে চাকরি দিয়ে দুদকের আসামি হলেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য
ছবি সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের ছেলেসহ অন্যদের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য স্বদেশ চন্দ্র সামন্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সন্তোষ কুমার বসুকেও আসামি করা হয়েছে। দুদকের অভিযোগ, এসব নিয়োগের মাধ্যমে সরকারের ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ১৩১ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুদকের পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।

ইউজিসির অনুমোদনবহির্ভূত পদে নিয়োগের অভিযোগ

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ও সন্তোষ কুমার বসু পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদনবহির্ভূত পদে এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদের অতিরিক্ত পদে জনবল নিয়োগ দেন।

এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, বাছাই বোর্ডের সদস্যদের অবৈধভাবে প্রভাবিত করে সাবেক উপাচার্যের ছেলেসহ অন্যদের নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রিজেন্ট বোর্ডের কার্যবিবরণী তৈরি ও অনুমোদন করা হয়।

বেতন-ভাতা বাবদ ক্ষতির পরিমাণ ৮০ লাখ টাকা

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব নিয়োগের বিপরীতে বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ১৩১ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এ অর্থকে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ও সন্তোষ কুমার বসুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।