মঙ্গলবার

৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২১ আশ্বিন, ১৪৩৩

পাঠ্যবই ছাপায় ২৫২ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়ের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৩

শেয়ার

পাঠ্যবই ছাপায় ২৫২ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়ের অভিযোগ, দুদকের অভিযান
ছবি সংগৃহীত

বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজে গোপনীয় দর ফাঁস, ঠিকাদারদের মধ্যে সিন্ডিকেট এবং প্রায় ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে এনসিটিবিতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এনসিটিবির কার্যালয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের এনফোর্সমেন্ট দল এ অভিযান চালায়।

দুদকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ যাচাইয়ের অংশ হিসেবে এনসিটিবি থেকে প্রাথমিক প্রাক্কলনের কপি, দাপ্তরিক মূল্য তালিকা এবং ৪২৩তম বোর্ডসভার কার্যবিবরণীসহ বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নথি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে কমিশনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বই ছাপায় দর নিয়ে অভিযোগ

দুদকের অভিযান এমন সময়ে হয়েছে, যখন ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রে প্রাক্কলিত মূল্য ফাঁস, পরে সেই মূল্য বাড়ানো এবং ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ ভাগাভাগির অভিযোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।

এনসিটিবির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বই ছাপার জন্য গত জুনের শুরু থেকে ধাপে ধাপে দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্রাক-প্রাথমিকের বইয়ের দরপত্র প্রকাশ করা হয় ২ জুন। একই দিনে ইবতেদায়ির বইয়ের দরপত্রও প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বইয়ের দরপত্র প্রকাশ হয় ৩ জুন। ষষ্ঠ শ্রেণির দরপত্র ৭ জুন এবং সপ্তম শ্রেণির দরপত্র ৯ জুন প্রকাশ করা হয়।

দুদকে করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ঠিকাদারদের একটি অংশ এনসিটিবির প্রাক্কলিত দর আগেই জেনে যায়। পরে ওই দর বাড়ানোর দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মুদ্রণশিল্পের ৭৫ জন মালিক প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর আবেদন করেন।

এনসিটিবির ৪২৩তম বোর্ডসভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ওই আবেদনের পর দর পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।