মঙ্গলবার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩ আশ্বিন, ১৪৩৩

একাদশে বিশেষ কোটার তালিকা প্রকাশ; বাড়লো দ্বিতীয় ধাপের আবেদনের সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪১

শেয়ার

একাদশে বিশেষ কোটার তালিকা প্রকাশ; বাড়লো দ্বিতীয় ধাপের আবেদনের সময়
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বিশেষ কোটায় ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপের অনলাইন আবেদনের সময় বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

প্রবাসী, সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা ও প্রতিবন্ধী কোটায় মনোনীত শিক্ষার্থীদের আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে হবে। আর দ্বিতীয় ধাপে একাদশে ভর্তির আবেদন করা যাবে ১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত।

সোমবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মুনসী হুমায়ুন কবিরের সই করা এ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ কোটায় মনোনীত শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট কলেজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভর্তি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

প্রবাসী কোটায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রত্যয়নপত্র ও পাসপোর্টের প্রমাণক, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কোটায় জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অর্জনের সনদ এবং প্রতিবন্ধী কোটায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধী সনদের ভিত্তিতে এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। বিশেষ কোটায় ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের পরের কার্যক্রম পরে জানানো হবে। এ সংক্রান্ত তালিকা ও নির্দেশনা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এদিকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন ১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত করা যাবে। দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ হবে ৫ অক্টোবর সোমবার রাত ৮টায়।

নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৮ রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় ধাপে নিশ্চায়ন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পছন্দক্রম অনুযায়ী যাদের মাইগ্রেশন হবে, তাদের ফল প্রকাশ করা হবে ৯ অক্টোবর রাত ৮টায়। এরপর ১১ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, যারা আগে আবেদন করেনি বা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবেন।

এ ছাড়া চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও নিশ্চায়ন করতে না পারা, নির্ধারিত সময়ে কলেজে ভর্তি হতে না পারা এবং ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীরাও এ সুযোগ পাবেন।

দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করার সময় শিক্ষার্থীদের কলেজের বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় সর্বনিম্ন পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে রাখতে হবে।

প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন করে ২২০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজের পছন্দক্রম নির্বাচন বা পরিবর্তন করতে হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, দ্বিতীয় ধাপে কোটায় আবেদন করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে নিজের কোটার যোগ্যতা যাচাই করে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন ফি জমা দিয়ে নির্বাচিত কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে।