বুধবার

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৮ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাজেটে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়বে: শিক্ষামন্ত্রী

আরিফ জাওয়াদ,ঢাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৬

আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৭

শেয়ার

বাজেটে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়বে: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: বাংলা এডিশন
বাজেটে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়বে, বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে বাড়বে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষায় যে বাজেট ও গুরুত্ব দিচ্ছে, তার সুফল পাবে তরুণ প্রজন্ম।’
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ‘এমজিআই-এমএএ স্কলারশিপ ২০২৬’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় দরকার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে যে সমন্বয় বা লিংকেজ থাকা দরকার, তা এখনো যথেষ্ট নয়। চীন বা উন্নত বিশ্বে দেখা যায়, বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভেতরেই কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকে। সেখানে প্রাকটিক্যাল ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হয় এবং কোম্পানিগুলো তাদের সরাসরি হায়ার করে।’
শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘বিভিন্ন সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিতি একজন মানুষকে সমস্যাকে বহুমাত্রিকভাবে বিশ্লেষণ করতে শেখায়। তাই শিক্ষার্থীদের শুধু নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নিজেদের মেধা ও দক্ষতাকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে।’
শিক্ষকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী আমলের মতো ভিসি পদ ছেড়ে রাজনৈতিক সংগঠনের সভাপতি হওয়ার মতো আশা প্রকাশ সংক্রান্ত বিষয় প্রশ্রয় দেবে না বর্তমান সরকার।’
এতে অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পরে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের ৯০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকা করে মোট ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়।