ঢাকা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল হকের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টঙ্গীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল কাইয়ুম বলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি, হল দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপকর্মের কোনো স্থান নেই। অধ্যাপক ওবায়দুল হকের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে টাকসুর ভিপি মঈনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশ গড়ার ও আদর্শ মানুষ তৈরির অন্যতম ভিত্তি। এখানে সন্ত্রাস, মাস্তানি কিংবা চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ থাকতে পারে না। শিক্ষকদের ওপর হামলা শুধু একটি ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আঘাত।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে দেশের মাদরাসাগুলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক, আদর্শিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে গড়ে তুলছে। তাই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার হেড মুহাদ্দিস ড. মোয়াজ্জেম হোসেন আজহারী, ফকিহ ইব্রাহিম খলিল, আমিনুল হক, প্রভাষক নুরুল আমিন ও ওমর ফারুক। এছাড়াও টাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিরাপত্তা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন:








