সোমবার

৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৯

শেয়ার

সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার
ছবি সংগৃহীত

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ।

বহিষ্কৃত দুই নেতা হলেন নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম এবং প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন।

রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদনের পর থেকেই বহিষ্কৃত দুই নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল কেন্দ্র অনুমোদিত কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা, কমিটিকে ‘ভুজুংভাজুং কমিটি’ বলে কটাক্ষ করা, ছাত্রদলের ইতিবাচক কার্যক্রমকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা এবং সাংগঠনিক ঐক্য বিনষ্টে ভূমিকা রাখা।

এছাড়া, বিভিন্ন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্ট ও মন্তব্য পর্যালোচনায় এসব অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন তথ্যও পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বহিষ্কৃত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। এর আগে আমাকে কোনো ধরনের নোটিশ বা মৌখিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। আমিও মাত্রই বহিষ্কারের নোটিশটি দেখেছি। আমার জানামতে, ছাত্রদলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো কাজ আমি করিনি, যার কারণে আমাকে বহিষ্কার করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আমি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলব।

আরেক বহিষ্কৃত নেতা খায়রুল আমান শাওন বলেন, আমাকে বহিষ্কার করার পূর্বে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আমার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করেনি কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়নি। আমি দলের দুঃসময়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং আজ পর্যন্ত ছাত্রদলের আদর্শবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হইনি। বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কিছু সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমার মতপার্থক্য ছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশের পর আমরা নৈতিক অবস্থান থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলাম। যদি সেই ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে এ সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে, তবে তা দুঃখজনক। তবে সংগঠনের সব সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান করি।

এ বিষয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, "সংগঠনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। ছাত্ররাজনীতি করতে হলে সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষা করেই করতে হবে। সংগঠনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।



banner close
banner close