শনিবার

২৩ মে, ২০২৬ ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঘরমুখো শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সেবা: প্রশংসায় ভাসছে নোবিপ্রবি প্রশাসন

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬

শেয়ার

ঘরমুখো শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সেবা: প্রশংসায় ভাসছে নোবিপ্রবি প্রশাসন
ছবি বাংলা এডিশন

আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিকে কেন্দ্র করে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। প্রিয়জনদের কাছে ফেরার এ আনন্দযাত্রাকে আরও স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন করতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা রুটে বিশেষ বাসসেবার ব্যবস্থা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে খুশি শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের ছয়টি বাস শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৭টার পর থেকে পর্যায়ক্রমে ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া ও বাড়ি ফেরার আগ্রহের কারণে বাসে আসন নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত থেকেই কেন্দ্রীয় গ্যারেজ এলাকায় শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

রাত ৯টার পর থেকেই বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত স্থানে এসে সিরিয়াল দিতে শুরু করেন। কেউ কেউ পছন্দের রুটে আসন নিশ্চিত করতে আরও আগেভাগেই অবস্থান নেন। রাত যত গড়িয়েছে, পরিবহন পুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও তত বেড়েছে। পুরো এলাকায় যেন ছিল ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দঘন এক ভিন্ন আবহ।

পরিবহন পুল সূত্রে জানা যায়, শুরুতে শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি বাস বরাদ্দের পরিকল্পনা থাকলেও ঘরমুখো শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরে বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়। এর মধ্যে ‘করতোয়া’ ও ‘কর্ণফুলী’ বাস দুটি ঢাকার উদ্দেশ্যে, ‘যমুনা’, ‘তিস্তা’ ও ‘রূপসা’ বাস তিনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে এবং ‘মধুমতী’ বাসটি কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। অনেকেই বলছেন, ঈদযাত্রায় গণপরিবহনের ভোগান্তি ও অতিরিক্ত ভাড়া থেকে রেহাই পেতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বাসসেবা বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে। একই সঙ্গে যাত্রাপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

এ বিষয়ে নোবিপ্রবির পরিবহন প্রশাসক ড. কাউসার হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের সুবিধার বিষয়টি আমরা সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। তারা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে, সেজন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিলো। উপাচার্য স্যারও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন।”



banner close
banner close