মঙ্গলবার

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৮ মাঘ, ১৪৩২

চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা আরিফের জানাজা সম্পন্ন

চবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৫৭

শেয়ার

চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা আরিফের জানাজা সম্পন্ন
ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা আরিফের জানাজা সম্পন্ন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, চবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আরিফের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অংশ নেন চবি ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, চবি প্রো-ভিসি (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো: কামাল উদ্দিন, চবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, চবি প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। এছাড়া জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন চবি ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মহসিন, শাখা ছাত্রদলের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল নোমান, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনিসহ শাখা ছাত্রদল ও চবি প্রশাসনের ব্যক্তিবর্গ।

জানাজার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন চবি প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো: কামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, “আরিফ খুব অমায়িক একজন ছেলে ছিল। সে জুলাই আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কখনো রাজনীতিকে কাজে লাগিয়ে কোনো সুযোগ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেনি। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুক।”

জানাজা শেষে আরিফের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

এর আগে, গত শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন আরিফ। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করা হয়েছিল। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তিনি আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন।

পরিবারের বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে আরিফের চাচাতো ভাই হানিফ বলেন, “আরিফের পরিবারে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমরা কল্পনাও করিনি আরিফ আমাদের ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি চলে যাবে।”

উল্লেখ্য, আরিফের গ্রামের বাড়ি হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো: হারুন। চার ভাইবোনের মধ্যে আরিফ পরিবারের তৃতীয় সন্তান। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছোট ছিলেন।



banner close
banner close