৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন রাইসুল ইসলাম। তিনি সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরপরই চারদিকে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়।
এই সমালোচনার কারণ, রাইসুল ইসলাম ছিলেন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। এ ছাড়া, জুলাই আন্দোলনে সরাসরি সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রমাণ আছে তার বিরুদ্ধে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন রাইসুল ইসলাম। তিনি ২০১৪-১৫ সেশনের ঢাবির হেলথ ইকোনমিকস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় তার গ্রামের বাড়ি- মেঘাহালা, ৭নং রামপুর ইউনিয়ন, তারাকান্দা। এটি ময়মনসিংহ জেলার একটি জায়গা।
রাইসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। প্রমাণস্বরূপ রাইসুলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করার একাধিক ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জুলাই আন্দোলনের সময় এসব ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছিলো।
এর আগে, চলতি বছরের ১৭ মার্চ জুলাই আন্দোলনে স্বৈরাচার হাসিনার পক্ষ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে ১২৮ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হামলাসংক্রান্ত তথ্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বহিষ্কার হওয়া ওই তালিকায় নাম ছিলো রাইসুল ইসলামের।
ছাত্রলীগের এই সন্ত্রাসী গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে। তারা দ্রুত এই বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন:








