ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শামীম হোসেন বলেছেন, জীবনের প্রথম ভোট দিতে পেরে শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। তিনি দাবি করেন, এবার নৈশ ভোটের কোনো ঘটনা ঘটেনি, যা সবার জন্য ইতিবাচক অভিজ্ঞতা।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম হোসেন বলেন, “আমরা অনেকেই জীবনের প্রথমবার ভোট দিচ্ছি। যারা ভোট দিচ্ছে আনন্দের সঙ্গে ভোট দিচ্ছে। ভোট কেমন হয় সেটাও আমরা প্রথমবার দেখছি। এর আগে নৈশ ভোটের রীতি ছিল। এবার কোনো নৈশ ভোট হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে প্রত্যেকেই জুলাই অভ্যুত্থানের লোক ও শক্তি। তাই আমরা কেউ কাউকে প্রতিপক্ষ মনে করছি না। প্রতিযোগিতা করছি, তবে সহাবস্থানের নীতিতে রয়েছি। এখনো নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু আছে। জয় নিয়ে আমরা আশাবাদী।”
এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ৬২ জন নারী প্রার্থী। ১৮টি হলে ১৩টি করে মোট ২৩৪ পদে লড়ছেন ১ হাজার ৩৫ জন।
এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ২০ হাজার ৮৭৩ জন ছাত্র এবং ১৮ হাজার ৯০২ জন ছাত্রী। আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে শিক্ষার্থীরা ডাকসু ও হল সংসদের মোট ৪১টি পদে ভোট দিচ্ছেন। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ভোট গণনা করা হবে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে। প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে এলইডি স্ক্রিনে ফলাফল প্রদর্শন করা হবে এবং পরে সিনেট ভবন মিলনায়তনে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসের আটটি প্রবেশপথে চৌকি বসানো হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল প্যাট্রল, ডগ স্কোয়াড, বোম এক্সপ্লোজাল ইউনিট, সোয়াত টিম, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ, সিসি ক্যামেরা মনিটরিং সেল এবং স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।
আরও পড়ুন:



.jpg)




