ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হলে ফল যা-ই হোক না কেন তা মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বুথের তুলনায় পর্যাপ্ত পোলিং এজেন্ট না থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। এমনকি একজন ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সকাল ৮টা থেকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের সামনে ব্যালট বাক্স সিলগালা করা হয়।
এবার ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে পাঁচটি ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ জন এবং ১৩টি ছাত্র হলে ২০ হাজার ৯১৫ জন ভোটার।
ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ৬২ জন ছাত্রী। অন্যদিকে ১৮টি হলে প্রতি হলে ১৩টি করে মোট ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী।
এবারের নির্বাচনে ব্যালটের আকারও বেড়েছে। ডাকসুতে পাঁচ পৃষ্ঠার ব্যালট থাকছে, আর প্রতিটি হল সংসদ নির্বাচনে এক পৃষ্ঠার ব্যালট ব্যবহার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:



.jpg)




