ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমার সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছেন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকরা (মোজো)। তাদের দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা না করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা তার সকল সংবাদ সম্মেলন বয়কট করবেন।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে আসেন উমামা ফাতেমা ও তার সমর্থিত প্যানেল স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য।
সংবাদ সম্মেলনে শুরুর একপর্যায়ে তিনি মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের তাদের বুম এবং ক্যামেরা সরিয়ে নেন এবং সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া বক্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানায়।
বয়কট করে সাংবাদিক মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক ফকরুল ইসলাম বলেন, তিনি যেভাবে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টারের অপমান করেছে, তাকে এর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। আমরা তার কথায় মর্মাহত ও বির্বত। তাই যতক্ষণ না পর্যন্ত তিনি তার কথা প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইবেন সেই পর্যন্ত তার সংবাদ সম্মেলনে আমরা অংশ নেবো না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কি লিখেছিলেন উমামা
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মোবাইল জার্নালিজম নিয়ে আপত্তি তুলেছেন উমামা ফাতেমা। কুকীর্তি প্রকাশ পাবে বলে মোবাইলকে ভয় পাচ্ছেন নাকি তিনি?
স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের এই ভিপি প্রার্থী বলেন, বারবার নিষেধ করার পরও সাংবাদিকদের নীতি বহির্ভূত কার্যক্রম থামানো যাচ্ছে না। ওই স্ট্যাটাসে উমামা ফাতেমা লিখেন, ‘ক্যাম্পাসের ডাকসু নির্বাচনে ডিজিটাল মোবাইল জার্নালিজম পুরো নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করছে। প্রার্থীদের সাথে ভোটারদের কথা বলার সহজ স্বাভাবিক প্রসেসকে কঠিন করে দিচ্ছে। প্রার্থীদের পেছনে প্রতিটা পদক্ষেপ ভিডিও করতে থাকা কতটা সমীচীন দেখায় সেটা আমার প্রশ্ন!’
উমামা আরও লেখেন, ‘বারবার নিষেধ করার পরও সাংবাদিকদের এ ধরনের নীতি বহির্ভূত কার্যক্রম থামানো যাচ্ছে না। ব্যক্তির কনসেন্টের বাইরে গিয়ে ভিডিও করা, ক্রপ করে ভিডিও ভিন্ন এঙ্গেলে প্রদর্শন করার কাজ থামানো যায় না।’
সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে এই ভিপি প্রার্থী লিখেছেন, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা প্রার্থী ও ভোটারের প্রাইভেসি মেনে চলুন। ভোটার ও প্রার্থীর সম্মতির বাইরে অযাচিতভাবে ভিডিও করে ভোটের পরিবেশটা নষ্ট করবেন না।
আরও পড়ুন:








