রবিবার

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১০ কার্তিক, ১৪৩৩

দীর্ঘ ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য

হারুন অর রশিদ বাপ্পী (শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি)

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১

শেয়ার

দীর্ঘ ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য
ছবি: বাংলা এডিশন

দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে।

রবিবার সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের মধ্যে পুরোদমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা আট দিন এ পথে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। তবে এ সময়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো, খালাস ও শুল্কায়নের কাজ স্বাভাবিক ছিল। এ সময় বন্দর থেকে পণ্য খালাসের পর ভারতীয় ট্রাকগুলো দেশে ফিরে যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনায় আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী শনিবার বেনাপোল-পেট্রাপোল পথে আমদানি-রপ্তানি শুরু হলেও সার্ভার সমস্যার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পচনশীল কিছু পণ্য ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই দিন ভারত থেকে ৬২ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৩৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়েছে বলে জানান রোমেন মিত্র।

বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, রবিবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে। টানা ছুটিতে সীমান্তের দুই পাশে পণ্যজট তৈরি হয়েছিল। কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় সেই জট কমতে শুরু করেছে। বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে প্রায় দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন, শনিবার সার্ভার সমস্যার কারণে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। রবিবার থেকে বন্দর ও কাস্টমসের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। ছুটি শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত আমদানি করা পণ্য খালাস নিতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।