শুক্রবার

২১ আগস্ট, ২০২৬ ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

মাছের বাজারে আগুন, হাত দেওয়া যাচ্ছে না মুরগি-ডিমেও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট, ২০২৬ ১১:২৩

শেয়ার

মাছের বাজারে আগুন, হাত দেওয়া যাচ্ছে না মুরগি-ডিমেও
ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর খুচরা বাজারে নিত্যপণ্যের চড়া দামে নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতাদের। মাছের বাজারে বেড়েছে দাম, পাশাপাশি উচ্চমূল্যের কারণে মুরগি ও ডিম কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এতে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে খাদ্যতালিকা থেকে প্রোটিনের জোগান কমাতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাছের বাজারে ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছই মিলছে না। প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। মধ্যবিত্তের পছন্দের রুই-কাতলার কেজি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা। মাঝারি আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়। আর ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা। গরুর মাংসের দামও রয়েছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে।

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আড়াইশ টাকার কম দামের মাছ না থাকায় নিয়মিত মাছ কেনাও কঠিন হয়ে পড়েছে। রায়েরবাজারের ক্রেতা সাইদ মিয়া বলেন, বাজারে এখন কোনো কিছুতেই হাত দেওয়ার জো নেই। আড়াইশ টাকার নিচে এক কেজি সাধারণ তেলাপিয়া মাছও মিলছে না। সীমিত আয়ের মানুষ নিয়ে কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

মাছের পাশাপাশি মুরগি ও ডিমের বাজারেও স্বস্তি নেই। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির কেজি গিয়ে ঠেকেছে ৬৫০ টাকায়। ডিমের দামও চড়া। লাল ডিমের ডজন ১৫০ টাকা পর্যন্ত হলেও পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়।

তবে বিক্রেতাদের দাবি, মুরগি ও মাছের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় খুব একটা বাড়েনি। আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য।

ক্রেতারা বলছেন, আয় না বাড়লেও প্রতিদিন মাছ, মুরগি ও ডিমের পেছনে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অল্প কিছু পণ্য কিনতেই আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা খরচ হচ্ছে।

তাদের আশঙ্কা, অবিলম্বে বাজার তদারকি জোরদার করা না হলে উচ্চমূল্যের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় আরও চাপ তৈরি হবে।



banner close
banner close