বুধবার

৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তেলের ঘাটতি: চট্টগ্রামে জাহাজ এসেছে চাহিদার অর্ধেক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯

শেয়ার

তেলের ঘাটতি: চট্টগ্রামে জাহাজ এসেছে চাহিদার অর্ধেক
ছবি সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বন্দরে মার্চের মধ্যে জ্বালানি তেল ও গ্যাসবোঝাই ২৫টি জাহাজ নোঙর করেছে, যদিও চাহিদার মাত্র অর্ধেক পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব পড়ায় এলোমেলোতার সৃষ্টি হয়েছে। পাইপলাইনে আরও পাঁচটি জাহাজ থাকলেও চলতি মাসে ঘাটতি পূর্ণ করতে পারবে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সামনের দুই মাসের জন্য আগাম পরিকল্পনা নিয়েছে। মার্চে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে ১৭টি জাহাজ আসার কথা থাকলেও মাত্র আটটি এসেছে, যেগুলোতে তেল ছিল দুই লাখ টন। অনিশ্চয়তায় রয়েছে আরও ছয়টি জাহাজের দেড় লাখ টন তেল। এলপিজির ক্ষেত্রেও ৯টির মধ্যে মাত্র পাঁচটি জাহাজ এসেছে।

বিপিসি এপ্রিলের জন্য প্রাথমিক আমদানি সূচি তৈরি করেছে। সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ এবং পাইপলাইনে তিনটি পার্সেলের মাধ্যমে তিন লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে জাহাজে পাওয়া গেছে মাত্র এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল।

বিকল্প উৎস থেকেও তেল ও গ্যাস আমদানি খোঁজা হচ্ছে। মালয়েশিয়া থেকে একটি এলপিজি ও ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি এলএনজি বোঝাই জাহাজ আনা হবে। বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, দেশে বছরে ৬৫–৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, যার মধ্যে ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল।

বিপিসির মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন জানান, ভারত থেকে পাইপলাইনে ১০ হাজার টন তেল এসেছে, আরও পাঁচ হাজার টন আসবে। ডিজেল বোঝাই আরও তিনটি জাহাজ আগামী পাঁচ দিনে আসবে। এলএনজি আমদানি করা প্রতিষ্ঠান ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের সিনিয়র ডিজিএম মো. নুরুল আলম বলেন, যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে কোনো এলএনজি বোঝাই জাহাজ দেশে আসেনি; তবে বিকল্প উৎস থেকে দুটি জাহাজ আগামী পাঁচ দিনে নোঙর করবে।