বুধবার

৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ১৮ সন্ত্রাসী যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত ময়মনসিংহে মানবাধিকার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ শিক্ষার্থী হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলে নতুন কমিটির দাবি: সভাপতি হিসেবে বাবুলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার ফেরা ও ডিসেম্বরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে যা বললেন ডিবিপ্রধান নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করতে নাশকতার চেষ্টা চলছে: রিজভী

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ মার্চ, ২০২৬ ০৭:৫৩

শেয়ার

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে
ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে। একই অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যার ফলে তেলের দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।

ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেশ কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এসব ঘটনার জেরে আঞ্চলিক জ্বালানি স্থাপনাগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল।

বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার স্পর্শ করে, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। পাশাপাশি গ্যাসের দামেও প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়া গেছে।

তেলবাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি বলেছেন, ওমান ও দুবাই ক্রুডের মতো মধ্যপ্রাচ্যের মানদণ্ডের তেল ইতিমধ্যে ১৫০ ডলার অতিক্রম করেছে। তিনি বলেন, তেলের দাম এখন কতটা বাড়বে তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালী কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের তথ্য অনুযায়ী, তেলের দাম ১০ শতাংশ বাড়লে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ০.১৫ শতাংশ হ্রাস পায়। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে তেলের দাম আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।