শনিবার

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২ ফাল্গুন, ১৪৩২

বাণিজ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারির পরও কমছে না পেঁয়াজের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৯

আপডেট: ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৩

শেয়ার

বাণিজ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারির পরও কমছে না পেঁয়াজের দাম
ছবি: সংগৃহীত

দেশে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে র্ধ্বমুখী রয়েছে পেঁয়াজের দাম। মাত্র ১০ দিন আগেও প্রতিকেজি পেয়াঁজ বিক্রি হতো ৭৫ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে। গত দুই নভেম্বর থেকে এটির দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। মাত্র দুই-তিন দিনের মধ্যে দাম বেড়ে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায় দেশের বিভিন্ন বাজারে। এরপর সরকারের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন ঘোষণা আসে। সবশেষ গত নয় নভেম্বর বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যে দাম না কমলে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। উপদেষ্টার ওই হুঁশিয়ারির পরও বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে না।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, বুধবার কিছুটা ছোট সাইজের প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা দরে। আর বাছাইকৃত বড় সাইজের পেঁয়াজ ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। মঙ্গলবারের চেয়ে বুধবার পেঁয়াজের দাম বেড়েছে বলে জানান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির বেশ কিছু কারণ দৃশ্যমান। প্রথমত, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, দ্বিতীয়ত, পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভাব, তৃতীয়ত, মৌসুমের শেষ পর্যায় এবং চতুর্থত, বৃষ্টিতে পেঁয়াজের ক্ষতি হওয়া। সাধারণত, প্রতিবছরে নিদিষ্ট কোনো একটা সময়ে এই কারণগুলোর জন্য পেঁয়াজের দাম র্ধ্বমূখী দেখা যায়। এ বছর এর সাথে যুক্ত হয়েছে আমদানি বন্ধ থাকা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবছর মৌসুম শেষের দিকে এসে পেঁয়াজের দামে বড় উল্লোফন দেখা যায়। বিশেষ করে অক্টোবর-ডিসেম্বরে বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা যায়। নতুন পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে না আসা পর্যন্ত অস্থিরতা চলমান থাকে। এই সংকট ব্যবসায়ীরাই কৃত্রিমভাবে তৈরি করেন অনেক ক্ষেত্রে। সরকারের উচিত বছরের শেষ সময়কে টার্গেট করে স্থায়ী একটা সমাধান খোঁজা।



banner close
banner close