রবিবার

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ২৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবি; ১০৯ অভিবাসীর মৃত্যু জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো, আক্রান্তের সংখ্যা লাখের কোঠায় রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: এক দিনের জন্য ঢাবি উপাচার্যের দায়িত্বে এইচএসসি শিক্ষার্থী শীতল দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন আবার নামঞ্জুর জুজুর ভয় দেখিয়ে জনগণের দাবি উপেক্ষা করছে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার ইমরানের দলকে সরিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নরের শাসনের উদ্যোগ

সঞ্চয়পত্রের সার্ভার হ্যাক করে গ্রাহকের টাকা চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩৩

শেয়ার

সঞ্চয়পত্রের সার্ভার হ্যাক করে গ্রাহকের টাকা চুরি
ছবি: সংগৃহীত

সঞ্চয়পত্রের সার্ভার ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য গ্রাহকের নামে থাকা সঞ্চয়পত্র ভেঙে টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি জালিয়াতি ঠেকাতেও পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে গত পরশু একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এক গ্রাহক ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনেন। ওই গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেস ক্লাব শাখায়। তবে মাত্র চারদিন পর, গত সোমবার ওই সঞ্চয়পত্র ভাঙানো হয় এবং টাকা স্থানান্তর করা হয় এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুর উপশাখার এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে। পরে সেই টাকা একই দিনে ব্যাংকটির শ্যামলী শাখা থেকে তুলে নেয়া হয়।

একই পদ্ধতিতে একই দিনে আরও দুটি সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর চেষ্টা করা হয়-যার একটি ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকার, অন্যটি এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসায় ওই দুটি জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হয়।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭১ কোটি টাকা। এসব সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও ভাঙানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদফতর ও পোস্ট অফিসের প্রায় ১২ হাজার শাখা থেকে।

তবে এখন পর্যন্ত শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকেই এ ধরনের জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। অন্য কোনো শাখা বা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, সঞ্চয়পত্রের সার্ভার পরিচালনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়। সূত্র জানায়, চিহ্নিত এ প্রতারণাগুলো সার্ভার হ্যাকের মাধ্যমে করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।