দখল হয়ে গেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) চেয়ারম্যান পদ। শতাধিক লোক নিয়ে মো. অলিউর রহমান নামের এক ব্যক্তি জোর করে সংগঠনের চেয়ারে বসেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম আশা এগ্রো প্রোডাক্ট।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর পল্টনের আল-রাজি টাওয়ারে অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ডসভা ছিল। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ফায়জুর রহমান বকুলের সভাপতিত্বে বোর্ডের ৩২ জন সদস্যের মধ্যে অধিকাংশই উপস্থিত ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শতাধিক লোক জোর করে বিএফএ অফিসে ঢুকে যায়। তারা বোর্ডরুমে ঢুকে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে।
এ সময় তারা ওয়ালিউর রহমান নামের একজনকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দিতে চাপ সৃষ্টি করেন। চেয়ারম্যানের চেয়ারে থাকা ফায়জুর রহমান বকুলকে জোর করে সরিয়ে দিয়ে ওয়ালিউরকে বসিয়ে দেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফায়জুর রহমান বকুলকে দিয়ে শপথ পড়াতে বাধ্য করা হয়। বোর্ডসভায় উপস্থিত কয়েকজন সদস্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তারা বলেন, ‘শনিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে আল-রাজি টাওয়ারে অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে নিয়মিত বোর্ড মিটিং ছিল। আগের বোর্ডসভায় কফিলউদ্দিন আহমেদ ও মোশাররফ হোসেন নামের দুই ব্যবসায়ীকে পরিচালক ঘোষণা করা হয়। শনিবারের সভায় তাদের শপথ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরুর কিছুক্ষণ পরেই দলবল বেঁধে লোকজন ঢুকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করেন। তিন পরিচালক মো. ওয়ালিউর রহমান, লায়ন মো. সিরাজুল ইসলাম বিদ্যুৎ এবং একেএম হারুন অর রশিদ তাদের সহযোগিতায় বহিরাগতরা অফিসে ঢোকেন বলে অভিযোগ করেন এক ব্যবসায়ী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুধু অফিসে নয় পুরো আল-রাজি টাওয়ার এবং নিচে মিলে ২৫০-৩০০ জন মহড়া দিতে থাকেন। এ সময় আলরাজি টাওয়ারজুড়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
শতাধিক লোক নিয়ে জোর করে শপথ নেয়া প্রসঙ্গে ওয়ালিউর রহমান দাবি করেন এখানে জোর করার কী আছে? আলোচনার পরে বোর্ডসভার সদস্যদের সম্মতিতে আমাকে শপথ পড়ানো হয়েছে। সারা দেশে লক্ষ লক্ষ সার ডিলার আছে, তাদের অনেকেই এসেছিলেন।
আরও পড়ুন:








